Tuesday , November 12 2019
Breaking News
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / Tips & Tricks / উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি রোগের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে কিছু প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা সূমহ।

উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি রোগের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে কিছু প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা সূমহ।

                                                           ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে কিছু পুর্ব প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা 

অনেকে চিকিৎসকের কাছে নিজের সমস্যা কথা গুছিয়ে বলতে পারেনা । কথা বলতে বলতে ট্রপিস হারিয়ে ফেলেন । অনেকে রোগের ইতিহাস বা ওষুধের নাম-বৃত্তান্ত খুলে বলতে পারেন না।এর পরে অনেক অপেক্ষার পর যখন সিরিয়াল নিয়ে চিকিৎসকের দেখা পান ঠিক তখন অল্প সময়ে তালগোল পাকিয়ে আসল কথাটাই অনেক সময় বলা হয় না। তাই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগেও প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা দরকার। এতে আপনার এবং চিকিৎসক—দুজনেরই সুবিধা হবে।

১। আপনি মূলত যে সমস্যার জন্য চিকিৎসকের কাছে গেছিলেন , তা সঠিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করুন।  আনুষঙ্গিক সমস্যাগুলো পরে বলবেন। কত দিন ধরে ভুগছেন তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করুন।আগে এ সমস্যার জন্য চিকিৎসা নিয়েছেন কি না জানাতে হবে ।

২। আপনার যদি এই রোগের সঙ্গে অন্য কোনো রোগ থেকে থাকে (যেমন: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি) তাও মেয়াদ উল্লেখসহ জানান। সেগুলোর জন্য নিয়মিত কী কী ওষুধ কত মাত্রায় গ্রহণ করছেন, তা উল্লেখ করুন। মনে না থাকলে লিখে আনুন বা ওষুধের পাতা সঙ্গে রাখুন। কোনো বিশেষ ওষুধে ইতিপূর্বে কোনো সমস্যা হলে তা জানাবেন। নিকট অতীতে কোনো অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে তা জানান।

৩। চিকিৎসকের প্রশ্নের উত্তর যথাযথভাবে ও সংক্ষেপে দিন। হঠাৎ করে প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলবেন না। তাতে চিকিৎসকও তাঁর জিজ্ঞাসা থেকে দূরে সরে যেতে পারেন। অপ্রাসঙ্গিক ও অকারণ তথ্য দেওয়ার দরকার নেই এতে চিকিৎসকের অসুবিধার সৃষ্টি হতে পারে । এতে দুজনেরই সময় নষ্ট।

৪। রোগীর সমস্যার কথা তাঁকেই আগে বলতে দিন। তিনি কিছু ভুলে গেলে সঙ্গী ধরিয়ে দিতে পারেন। আগেই সঙ্গে থাকা ব্যক্তির কথা বলা উচিত নয়। চিকিৎসকের কাছে কোনো কিছু লুকানো উচিত নয়, আবার কোনো কিছু বাড়িয়ে বলারও দরকার নেই। রোগীর সঙ্গে অবশ্যই এমন কারও আসা প্রয়োজন, যিনি রোগীর রোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানেন।

৫। চিকিৎসা পদ্ধতি, রোগের বিবরণ এবং ওষুধের মাত্রা-মেয়াদ চিকিৎসকের কক্ষ ত্যাগ করার আগেই তাঁর কাছ থেকে ঠিকভাবে বুঝে নিন।

৬। একই চিকিৎসকের কাছে আবার এলে আগের প্রেসক্রিপশন অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন এবং দেখাবেন । এতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লেখা থাকে। আগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজপত্র গুছিয়ে সঙ্গে রাখুন। অন্য কারও প্রেসক্রিপশন থাকলেও তা  কাছে রাখুন ।

৭। আর্থিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানিয়ে রাখুন। তিনি পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অল্প কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারবেন। প্রয়োজনে কম খরচে সরকারি হাসপাতালে বা কোথায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়, তাও জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন।

৮। চিকিৎসকের কক্ষের বাইরে অপেক্ষা করার সময় অসহিষ্ণু আচরণ করবেন না। দেশে চিকিৎসকের সংখ্যা অপ্রতুল। কক্ষে আপনার মতোই আরেকজন রোগী সেবা নিচ্ছেন। মনে রাখবেন, প্রত্যেকেই নিজের কষ্ট নিয়ে এসেছেন। জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের আগে যাওয়ার সুযোগ দিতে চেষ্টা করুন।

৯।  অনেকে চিকিৎসকের সামনে গিয়ে ঘাবড়ে যান, রক্তচাপ বেড়ে যায়। ঠিকমতো বলতে পারেন না। দুশ্চিন্তা করবেন না। চিকিৎসকের প্রতি আস্থা রাখুন। আপনার অনাস্থা, অসহযোগিতা, ভুল তথ্য প্রদান আপনারই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

পরিশেষে বলা যাই আপনার রোগ না সারীরিক কোনো অসুস্থতা দেখা দিলে তা অবশ্যয় আপনার নিকটস্থ কনো চিকিৎসকের কাছথেকে পরামর্শ করুন । একং সব কিছু তাকে খুলে বলুন

About Admin